তাড়াশ থেকে এম এ মাজিদ:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কর্তৃপক্ষের অনুমোতি ছাড়া ফসলী জমি কেটে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী কৃষকগন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নওঁগা গ্রামের মৃত রোকোনুজ্জামানের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে মিজান মাষ্টার দেবীপুর গ্রামের কয়েকজন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ভূলভাল বুঝিয়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাটিকুমরুল বনপাড়া মহাসড়কের মহিষলুটি বাজার সংলগ্ন অবস্থিত তাদের তিন ফসলী জমি নামমাত্র মূল্যে লীজ নেয়।পরবর্ততীতে ওই জমির শ্রেনী পরিবর্তন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে মাটি বিক্রি করে পুকুর খনন শুরু করেন। আরো অধিক লাভের আশায় একই দাগের জমি মালিক লাবু মিয়া,রান্টু মিয়া, আশরাফ আলী, আব্দুল লতিফ,রবিউল ইসলাম , ফজলুর রহমান ও জাহাঙ্গীর হোসেন কে চাপ সৃষ্টি করেনে।
এতে তারা রাজি না হওয়ায় তাদের ফসলী জমি ঘেষে পুকুর খনন শুরু করেন। ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, মিজান মাষ্টার আমাদের জমি নিয়ে পুকুর খনন করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেয়। তাতে রাজী না হওয়ায় আমাদের ফসলী জমি ঘেষে পুকুর খনন শুরু করে। তারা আরো জানান, এভাবে পুকুর খনন করলে জলাবদ্ধতায় আমাদের তিন ফসলী জমি অনাবাদি হয়ে পড়বে। এই জমির উৎপাদিত ফসলের উপর আমাদের জীবিকা চলে। সেটাও অনাবাদি হয়ে পড়লে আমাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।আমরা অবৈধ ভাবে পুকুর খনন বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোড় দাবী জানাচ্ছি। অভিযুক্ত মিজান মাষ্টারের বক্তব্য নিতে তার মুঠো ফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মেজবাউল করিম বলেন, বিষয়টি দেখে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com