মো. আবুল কালাম আজাদ
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ¯া^ধীনতাত্তোর যুদ্ধবিধস্ত দেশের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার দেশপ্রেমীক বীর মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে ১৯৭২ সালে ‘গন মিলন’ নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে সমবায় ভিত্তিতে যে বহুমুখি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে সারা বিশে^ আলোড়ন সৃস্টি করেছিলেন তা দৃষ্টান্ত হয়ে আছে গুরদাসপুরবাসীর কাছে। সেই কার্যক্রমের একটি অংশ ‘ সমবায় ভিত্তিতে যান্ত্রিক চাষাবাদ’ এর কথা আজ বগুড়ার পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) গবেষণা করে পাইলট কর্মসুচির মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছে বলে গত ২৭ নভেম্বর ২০১৯ বুধবারের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ‘সমবায় ভিত্তিতে যান্ত্রিক চাষাবাদ সারা দেশে ছাড়য়ে দিতে হবে- ‘আইল তুলে দিলে দেশে কৃষি জমি বাড়বে ৫ শতাংশ’ এমনি শিরোনামে সংবাদ ছাপা হয়েছে যা আমার নজরে এসেছে। এ বিষয়ের উপর আমি লেখার জন্য বেশ কিছুদিন হলো নানাভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং লেখার থিম নিয়ে ভাবছিলাম। ঠিক এমন সময় সংবাদ শিরোনাম চোখে পড়ায় আমার লেখার আগ্রহটা আজ বাস্তবে রূপ দিতে ইচ্ছে জাগলো।
সংবাদটি ছিল এরকম ‘ বগুড়া পল্লি উন্নয়ন একাডেমি ( আরডিএ) জমির আল উঠিয়ে দিয়ে সমবায় ভিত্তিতে যান্ত্রিক চাষাবাদের পাইলট প্রকল্পের কাজ সম্প্রতি শেরপুর উপজেলার চকপাথালিয়া গ্রামে শুরু করে। ৪২ জন কৃষকের সাড়ে সাত একর জমিতে ৬২টি কৃষি জমির প্লটে আইল তুলে দিয়ে সেখানে ধান চাষ করা হয়। সেই পাইলট প্রকল্পের ধান কাটার উৎসবে প্রধান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার,পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রি তাজুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রি স্বপন ভট্রাচার্য, বগুড়া- ৫ আসনের ( শেরপুর-ধুনট) সাংসদ মোঃ হাবিবুর রহমান ,পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় সচিব মো. রেজাউল আহসান, একাডেমির মহাপরিচালক ( অতিরিক্ত সচিব) আমিনুল ইসলাম,বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ। ধান কাটার উৎসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন,বর্তমানে একজন কৃষক এক একর জমিতে ফসল চাষ করে চার হাজার টাকার মত লাভবান হন। ািকন্তু কৃষকেরা সমবায় ভিত্তিতে ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ করলে একরে ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভবান হবেন। সমবায় পদ্ধতির চাষাবাদ ব্যবস্থার ফলাফল জানতে এই পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হযেছিল। আরডিএ পরিচালক (কৃষিবিজ্ঞান) ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সারা দেশে কৃষি জমির আইল উঠিয়ে দিলে প্রায় ৫ শতাংশ অব্যবহৃত উর্বর জমিকে কৃষি খাতের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব। সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদন খাতে ( যেমন শ্রম, বীজ, সার.সেচ, কীটনাশকসহ জমি ব্যবস্থাপনা) ব্যয় কমিয়ে আনা যাবে।এর মাধ্যমে অবশিষ্ট জনশক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত সোনার বাঙলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বগুড়ার পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আজ পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে যে স্বপ্ন দেখছে, ‘৭১-র যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নাটোরের গুরুদাসপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ বঙ্গবন্ধুর আহবানে যুদ্ধাস্ত্র জমা দিয়ে ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসিন আলীর নেতৃত্বে (বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী)¡ ‘গন মিলন’ নামে সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক উন্নয়নমুলক স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাঙলা গড়তে বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মসুচি গ্রহণ করেন। গন মিলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মরহুম মুনসুর মহুরি (নারায়নপুর) , সাধারন সম্পাদক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালিন সংগঠক আমার (প্রতিবেদকের) পিতা সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিকারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরহুম আব্দুল জাব্বার মিয়া মাষ্টার এবং প্রধান সংগঠক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. মহসিন আলী(বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী)। এছাড়াও ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মাষ্টার, বাবু সত্যরঞ্জন পাল মাষ্টার, মো. বেলায়েত হোসেন, অধ্যাপক শামসুর রহমান( প্রতিবেদকের মেঝ চাচা) আব্দুর রশিদ মহুরী, সাদেক আলি, কাজেম , রিয়াজ মোল্লা, আমজাদ হোসেন, আব্দুল জাব্বার (চরকাদহ), আব্দুল কুদ্দুছ (শ্রীপুর)সহ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধকামী তরুণ যুবকদের অনেকে গন মিলনের উন্নয়ন কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
সমবায় ভিত্তিক যান্ত্রিক চাষাবাদে সামাজিক কৃষি আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে গ্রামের তরুণ সমাজকে হাতেকলমে বাস্তব শিক্ষদানের জন্য ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় “ শিকারপুর কৃষি কারিগড়ি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়” নামে মাধ্যমিক কৃষি স্কুল। যা ছিল যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য একটি অনন্য মডেল। ১৯৭২ সালে গন মিলন প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন যুগান্তকারী উন্নয়নমুলক কর্মসুচির মধ্যে ছিল-যেীথ কৃষি খামার, তেভাগা কৃষি খামার , সমবায় আন্দোলন,কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র ঋনদান ও সঞ্চয় প্রকল্প, সেবারত্ন বয়স্ক শিক্ষা, গনশিক্ষা, নারী উন্নয়ন, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, তাঁত শিল্প, রেশম চাষ, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু পালন ,ন্যায্যমুল্যের দোকান , টালি ফ্যাক্টরি প্রভৃতি উন্নয়ন কর্মসুচি নিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। আজকের আলোচনায় শুধু সমবায় ভিত্তিতে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি চাষাবাদ বিষয়ে ‘৭২ সালে দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রাম উন্নয়নমুলক সংগঠন ‘গন মিলন’ এর নেওয়া ‘ যৌথ কৃষি খামার এবং তেভাগা কৃষি খামার’এর কিছু কর্মকান্ড তুলে ধরবো যা আজকে সেই চিন্তা-চেতনাকেই সামনে রেখে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বগুড়ার পল্লিউন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখছে। এই স্বপ্ন সঠিক বাস্তবায়ন করতে হলে ১৯৭২ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন গনমিলনের চিন্তা-চেতনার যিনি মাষ্টার মাইন্ড ড. মো. মহসিন আলী (বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী) এর সহযোগিতা নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। কেননা, তিনিই আজ থেকে ৪৮ বছর আগে সমবায় ভিত্তিতে যান্তিক চাষাবাদের সফল বাস্তবায়ন করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। ড. মহসিনের নেতৃত্বে গন মিলনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত হয়ে দেখিয়েছিলেন একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে কীভাবে উন্নয়ন করা যায়। যা বিশে^ গনমিলনের উন্নয়ন সফল কার্যক্রম সে সময়ে রোল মডের হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। বিশে^র বিভিন্ন দেশে এই থিম গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করেছে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মহসিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠনের স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনমুলক কাজের উপড় ইংল্যান্ডের বিবিসি টেলিভিশন কর্তৃক এক ঘন্টা দীর্ঘ “ চিল্ড্রেন অব দ্যা ফায়ার” নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র তৈরী এবং ফলাও করে প্রদর্শন করে ১৯৭২-৭৩ সালে। লন্ডনের বিশ^ বিখ্যাত ‘ দি গার্ডিয়ান’ সংবাদপত্রে ও দ্যা নিউ ইন্টারন্যাশনালিষ্ট’ মাসিক ম্যাগাজিনে ১৯৭২ ও ১৯৭৩ সালে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ষ্টেটের গভর্নর জর্জ ই পটাকী নিউইয়র্ক ষ্টেটের বিশষ্ট মানব কল্যাণ কর্মীর স্বীকৃতি হিসেবে “ দি গভর্নরস এওয়ার্ড অব এক্সেলেন্স” প্রদান করেন।
বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড, মুহম্মদ ইউনুসকেও তাঁর নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় ১৯৭২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে গন মিলনের সংগঠক মহসিন আলী বিভিন্ন সময়ে চিটাগাং গিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত গুরুদাসপুরের দুঃস্থ গরিব নারী-পুরুষদের ক্ষুদ্র ঋন প্রদান , সঞ্চয়ী মনোভাব তৈরী, তেভাগা ও যৌথ কৃষি খামার, ছোট ছোট গ্রুপ গঠন করে তৃনমুল পর্যায়ে নেতৃত্ব সৃষ্টি করা প্রভৃতি কর্মসুচির প্রাথমিক ধারণা ও পরামর্শ দেন। ১৯৭৩ সালে গনমিলনের প্রকল্পেও ড, ইউনুস চট্রগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক পাঠিয়ে হাতে কলমে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়েছিলেন। ড. মহসিনের নেতৃত্বে গন মিলনের উদ্যোগে সমবায় ভিত্তিতে উপজেলার সাহাপুর মৌজায় , মশিন্দা মৌজায়, শিকারপুর এবং আনন্দনগর গ্রামে তেভাগা কৃষি খামার ও সাহাপুর মৌজায় যৌথ কৃষি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। খামারের আওতাভুক্ত সকল মালিকানাধিন জমির আইল তুলে দিয়ে খামারের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পুর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে উন্নত জাতের ফসল চাষ করে কৃষি বিপ্লব ঘটেছিল। এতে এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে সাথে পারস্পারিক আস্থা ও সহযোগিতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল্। প্রকল্প কাজে এলাকার সকল বেকার কৃষক নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সাথে বেড়েছিল শিক্ষা ও সামাজিক ন্যায় বিচার। ঘরে ঘরে ছিল খাদ্য ও আর্থিক সচ্ছলতা। মানুষ ভুলে গিয়েছিল যুদ্ধের বিভিষীকা। বিতারিত হয়েছিল দারিদ্র্যের অভিশাপ। তেভাগা ও যৌথ খামারের জমির মালিকদের কোন সীমানা আইল ছিল না। আইল তুলে দিয়ে খামারের নিজস্ব ট্রাক্টর দ্বারা ঢালাও চাষ দিয়ে জমি তৈরী করা হত। আইল তুলে দেওয়ায় অনেক জমি বৃদ্ধি পায়। তাতে ফলনও বৃদ্ধি পায়। এর সফলতা দেখতে তৎকালিন বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ, মাহাবুব আলম চাষী, তাহের উদ্দিন ঠাকুর সহ কুমিল্লার বার্ড, অক্সফ্যাম, জাপান, রাশিয়া , নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিগন অভিজ্ঞতা নিতে শিকারপুর এসেছেন।
পরবর্তীতে এই কৃষি প্রকল্পকে স্থায়িত্ত্বশীল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষিবিশ^বিদ্যালয়ের অধিভুক্ত “শিকারপুর কৃষি কারিগরি বহুমুখি উচ্চবিদ্যালয় ”স্থাপন করা হয় ১৯৭৪ সালে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কøাশে কৃষি শিক্ষার পাশাপাশি সমবায় ভিত্তিতে পরিচালিত খামারে হাতে-কলমে কাজ করে বাষÍব শিক্ষা গ্রহণ করতো। এতে খামারের জমিতে কাজের মজুরি হিসেবে খামার থেকে যে টাকা দিত তা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাসিক টিউশনি ফি বাদ দিয়েও শিক্ষার্থীরা নগদ টাকা পেয়ে তাই দিয়ে পোষাক,বই, খাতা,কলম কিনতে পারতো।এসব কাজের উপর বাৎসরিক পরিক্ষায় নম্বর যোগ হতো। আমি এবং আমার সকল ভাই-বোনসহ অত্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একমাত্র কৃষি নির্ভর চলনবিল অঞ্চলের সব গ্রামের কৃষকের ছেলেমেয়েরা তখনকার সারা বাংলাদেশের মধ্যে বিশেষায়িত একমাত্র কৃষি কারিগরি উচ্চবিদ্যালয়ে প্রতষ্ঠাকাল থেকেই লেখা-পড়ার সুবিধা পেয়েছি। দুরের ছাত্র ছাত্রীদের সুবিধার্থে জায়গীরের ব্যবস্থাও ছিল। আমার পিতা মরহুম আব্দুল জাব্বার মাষ্টার গন মিলনের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী এবং ড, মহসিনের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হওয়ায় শিকারপুর কৃষি কারিগরি বহুমুখি উচ্চবিদ্যালয়ের প্িরতষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তাই বলতে দ্বিধা নাই যে, বর্তমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাঙলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন তার সফলতা আনতে হলে ১৯৭২ সালে নাটোরের গুরদাসপুর উপজেলার দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ‘গন মিলনের ’ অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ড. মহসিন আলীর কাছ থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে গন মিলনের গৃহিত প্রকল্পগুলিকে মডেল হিসেবে নিয়ে বাস্তবাযন করলে সহজেই দেশ বাস্তবিকভাবেই সোনার বাঙলাদেশ হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ^াস।
লেখক ঃ মো. আবুল কালাম আজাদ # সভাপতি, চলনবিল প্রেসক্লাব, গুরুদাসপুর, নাটোর । # ০১৭২৪ ০৮৪৯৭৩
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com