আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আর দু’একদিনের মধ্যেই তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বসবে জমজমাট কোরবানীর পশুর হাট। থাকবে গরু-ছাগল-মহিষ-ভেড়ার আমদানী। সেখানে আসবে শত শত মানুষ। দোকানপাট আর কেনাবেচায় মুখরিত হবে এসব হাটবাজার। ঈদের আগ পর্যন্ত চলবে পশু বেচাকেনা। কিছু জায়গায় নতুন হাটও বসবে এই সুবাদে। অবশ্য এ উপজেলায় বিদ্যমান বড় হাটগুলোতে তো ইতোমধ্যেই পশুর হাট জমে ঊঠেছে করোনাকালের এই দু:সময়ে তাই বিশেষ করে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ম পালনের বিষয়টি দেখভাল করবে কে – দায়িত্ব কার সেটা একটা বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।
ওদিকে প্রায় গোটা তাড়াশ উপজেলায় মানুষের চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা কম দেখা যায়। মাত্র অল্প মানুষের মুখে মাস্ক পরিলক্ষিত হয়। হাতে গ্লাভস কাউকেই পড়তে দেখা যায় না। সামাজিক দূরত্ব, হাঁচিকাশি ইত্যা কার ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সচেতনতার বালাই থাকে না। এমনিতেই হাটবাজারে মানুষের ভীড় লেগেই আছে। পশুর হাটে তা আরো বাড়বে নি:সন্দেহে। সেখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা দুরুহ কাজ। এমতাবস্থায় আসছে কোরবানীর ঈদ সামনে রেখে তাড়াশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থাপিত পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়নের কাজটা করবে কে বা কারা সেই জিজ্ঞাসা সচেতন মহলের। তাই প্রধানত তাড়াশ উজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা, স্ব-স্ব এলাকার ইউনিয়ন পরিষদসমূহ, বিভিন্ন হাটবাজার কমিটি ও ইজারাদারদের সমন্বয়ে গঠিত প্লাটফর্ম এব্যাপারে তদারকী ও নজরদারীর দায়িত্ব পালন করতে পারে। এছাড়া খামারী ও গরু ব্যবসায়ীদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে এই উপজেলায় অনলাইনভিত্তিক ডিজিটাল পশুর হাটও চালু করা যেতে পারে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com