গোলাম মোস্তফাঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের একটি কবরস্থানে শায়িত আছেন তিনজন মুক্তিযোদ্ধা ও দশজন মুক্তিকামী শহীদ। সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের দাবি মুক্তিযোদ্ধাসহ সব মানুষের দীর্ঘদিনের।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭১ সালে নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখে পাক হানাদার বাহিনী আমবাড়িয়া গ্রামে প্রবেশ করে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালায়। নির্বিচারে গুলি করে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে গ্রামের তিনজন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী দশজন যুবককে। ওই সময় আহত অবস্থায় বেঁচে যান দু’জন। চার বছরের মতো হলো তারাও মারা গেছেন। তাদের সবাইকে সমাহিত করা হয়েছে আমবাড়িয়া গ্রামেরই একটি কবরস্থানে। যেখানে এক সাড়িতে শায়িত আছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গাজী আরশেদুল ইসলাম বলেন, পাক-হানাদারবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের কালের সাক্ষী গণকবর। এর যথাযথ সংরক্ষণ করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে নিশ্চিন্ন হয়ে যেতে পারে স্মৃতি-চিহ্ন। তাই অবিলম্বে এসব যথাযথ সংরক্ষণসহ এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারি উদ্যোগ গৃহীত হবে বলে এলাকাবাসি আশা করে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com