এম এ মাজিদ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সদরে ৩’শ ফুটের মধ্যে ৫টি বাঁশের সাঁকো। ওই ৫টি বাঁশের সাকোই ওপারে বসবাসকারীদের খাল পারাপারের একমাত্র ভরসা। সরেজমিনে দেখা গেছে, তাড়াশ উপজেলা পরিষদের পূর্ব পার্শ্বের তাড়াশ-সোলাপাড়া আঞ্চলিক সড়ক থেকে কোনাই পাড়ায় পাড়াপারের জন্য কোন ব্রীজ নে। ওই পাড়ার লোকজনের খালটি পারাপার হতে হয় বাঁশ দিয়ে তৈরী ঝুঁকিপূর্ন সাঁকোতে।
আধুনিক যুগে এসে উপজেলা সদরের পৌর এলাকায় বসবাস করেও তারা পায়নি কোন আধুনিকতার ছোঁয়া। ওই পাড়াটিতে প্রবেশ করলে মনে হবে যেন কোন প্রত্যন্ত, অজো পাড়া গাও। এখানে বসবাসকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যুগের পর যুগ ধরে বাশের তৈরী সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়ে আসছেন ওই মহল্লার বাসীরা। তারা দু:খের সাথে বলেন, কেহ অসুস্থ হয়ে পরলে দ্রত চিকিৎসার জন্য নেওয়া যায় না। আবার বাঁশের তৈরী সাঁকোতে পারাপারের ভয়ে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে চায় না। গেলেও কোন দিন শিক্ষার্থীরা সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় যদি পা পিছলে পরে যায় ওই দিন আর তাদের স্কুলে যাওয়া হয় না।
পাড়াটিতে প্রতিটি বাড়ির লোকজনের পারাপারের জন্য একটি করে বাশের সাঁকো ন্জি উদ্যেগে তৈরী করা হয়েছে। দেখে মনে হয় এ যেন বাশের তৈরী সাঁকোর মেলা। মূলত ওই পাড়ার অধিবাসীরা গরীব ও পিছিয়ে পড়া মানুষ বলে উপজেলা প্রশাসনের সন্নিকটে হলেও তাদের প্রতি কারো নজর নেই।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com