রবিবার দুপুরে গোপাল বিগ্রহ মন্দির কমিটির আয়োজনে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ মন্দির প্রাঙ্গণে ওই মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কর্মসূচি পালন করেন।মানববন্ধনে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সেবায়েত আশুতোষ সান্যাল বলেন, এক সময় জায়গাটি “খ” তফসিল” ভুক্ত থাকলে আমরা সেই সম্পত্তি আদালতের মাধ্যমে অবমুক্ত করে সরকারকে ৫৩ বছরের খাজনার টাকা পরিশোধের মাধ্যমে মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে পাই। সেই সম্পত্তি উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের উষাইকোল গ্রামের কিছু মানুষ জোর করে দখলের চেষ্টা করছেন। বাধা দিলে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এছাড়াও আমাদের কাছে চাঁদা দাবির পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ওই মন্দিরের দখলীয় সোনাই দীঘি পুকুর পাড় থেকে শনিবার সকালে ওই ভূমিদস্যূরা ইউক্যালিপ্টাস ও আম গাছসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিয়ে গেছে। এ সময় আরো বক্তব্য রাখে, উপজেলা পূজা উদযাপন সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট ওর্য়াডের সাবেক ইউপি সদস্য জ্যোতিষ চন্দ্র মাহাতো, তাড়াশ পৌর হিন্দু-বৌদ্ধ খৃীষ্টান ঐক্য পরিষদেও সভাপতি মিঠুন সরকার গোলাল প্রমূখ।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, লক্ষি নারায়ণ ও গোপাল বিগ্রহ মন্দিরের সেবায়েত আশুতোষ সান্যালের অভিযোগ পেয়েছি। প্রতিপক্ষকে নির্দেশে দিয়েছি ওই দেবোত্তর সম্পত্তি গোপাল বিগ্রহ মন্দিরের দখলেই থাকবে। নির্দেশ অমান্য করে কেউ ওই সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com
