মোঃ আব্দুল আজিজ, ভাঙ্গুড়া পাবনা প্রতিনিধি
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বিজ্ঞ আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একাধিক বার জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাশেম গংদের বিরুদ্ধে। তিন পুরুষের জমি নিয়ে পাবনা বিজ্ঞ আদালতে বাটোয়ারা মামলা করেন, মামলা নং ২৯৬/০৮ মামলা চলমান, সেই সাথে যে যে অবস্থায় আছে বিশেষ নিরাপত্তার জন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসেন নছির গং।স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পি এস নং ২৯৬/০৮ কিন্তু এ আদেশ অমান্য করে কাশেম গংরা আবারও গতকাল (১৮ অক্টোবর) ২০২৫ শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার সময় দলবদ্ধ হয়ে ঘাস রোপণে বাঁধা দেয়। উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন পাটুলী পাড়া গ্রামের লোরার বিলের জমিতে এ ঘটনা ঘটায়।
জানা যায়, পাটুলী পাড়া গ্রামের মৃত দিরাজ উদ্দিনের ছেলে নছির উদ্দিন গং ও সিরাজ উদ্দিনের ছেলে কাশেম গংদের সঙ্গে আর এস ৩৯৬ দাগের ৯৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। পৈত্রিক সূত্রে মৌখিক ভাবে নছির উদ্দিন গংরা ১৭২ খতিয়ানে ৩৯৬ দাগে ৯৮ শতক কাতে ৭৪ শতক জমি তিন পুরুষ ধরে ভোগ দখল করছেন,বাকি ২৪ শতকের মধ্যে ১২ শতক ছালেহা বেওয়া ও ১২ শতক ছাড়ার নামে রের্কড হয়। রের্কডকৃত জমি ছাড়ার কাছ থেকে ক্রয় করেন,যাহার দলিল নং (১০৩৯/০৮) ঔ দাগের জমি যে আর এস রেকর্ডে নছির গংদের নামে তা রেকর্ড মুলে জমির মালিক ছাড়ার কাছ থেকে কিনে প্রমান করিছেন। অন্য দিকে আবার কাশেম গংরা তিন দাগে ১’ একর ৩শতক জমি ভোগ দখল করছেন এবং উক্ত জমি দুই পক্ষের নামে আর এস রেকর্ড হয়েছে। নছির সরদারের ওয়ারিশ মোছাঃ ছাহেলা বেওয়া রেকর্ড সূত্রে জমির মালিক হয়ে আব্দুল মান্নানের কাছে জমি বিক্রি করে দেন।
এনিয়ে ২০১৪ সালে কাশেম গংরা আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল করতে আসলে,নছির উদ্দিন গং বাধা প্রধান করেন এবং দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টিসহ মারপিট হয়। মারপিটে নছির উদ্দিন গংদের মোঃ শফিকুল ইসলাম সোহেল রানা নামের একজনকে পায়ের রগ কেটেদেন কাশেম গংরা। যাহা ঔ সময় দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রত্রিকায় জমি নিয়ে বিরোধ,ভাঙ্গুড়ায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীর পায়ের রগ কেটে দিলেন প্রতিপক্ষ,হেডলাইন করে প্রকাশিত হয়েছিল।এঘটনায় মোনতাজ মোল্লার ছেলে আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে এগারো জনের নাম উল্লেখ করে মামলাও করেছিলেন।
পরবর্তীতে সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের ছেলে ভাঙ্গুড়া পৌর সভার মেয়র তার গদি ঘরে উভয় পক্ষকে ডেকে শালিস করে মিমাংসা করে দেন( শালিসে রায় ছিল যে যে অবস্থায় আছে আর এস রেকর্ড মুলে মেপে দেওয়া হবে) তাৎক্ষণিক মানলেও যার যার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ঔ সময় কার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ভাঙ্গুড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আমিনসহ দুই পক্ষের লোকজন গেলে কাশেম গংরা না মানায় মিমাংসা করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে জমির মালিক আব্দুল মান্নান বলেন, শনিবার আমার ঔ জমিতে দু’জন লোক নিয়ে ঘাস রোপণের কাজ করছিলাম তখন বেআইনি ভাবে আমার জমিতে কাশেম গংরা অনধিকার প্রবেশ করে ঘাস রোপণে বাঁধা দেয় এবং ঘাস রোপণ করা যাবে না মর্মে হুমকি দিয়ে চলে যায়। তখনও আমি আমার লোকজন নিয়ে জমিতে ঘাস রোপণের কাজ করছিলাম। কিছুক্ষণ পরে দুই জন লোক এসে বলে আমরা ভাঙ্গুড়া থানা থেকে এসেছি,তোমরা এ জমিতে ঘাস রোপণ করছো কেন এ জমিতো ছাত্তারের। উনি থানায় অভিযোগ করেছে। খবর পেয়ে আমি থানায় যোগাযোগ করলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় নাই,পরে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারলাম সাংবাদিক এসেছিল।এই ঘটনার পর আমি ৪ জনকে আসামি করে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
এবিষয়ে ঔ জমি বাদী করা ছাত্তার বলেন, মান্নান আমার রক্তের কেউ না তাহলে আমাদের বাপ চাচার জমি কি পাবে ও সব সম্পত্তি আমাদের।
এবিষয়ে ভাঙ্গুড়ায় অভিযোগের তদন্ত কারী এস আই হাফিজুর রহমান বলেন, দুই পক্ষকে কাগজ পত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেছি।
|
|
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com