সাঈদ সিদ্দিক, নাটোর থেকে:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযানে নেমেছে নাটোরের স্বাস্থ্য বিভাগ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাবুবুর রহমান এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খালিদ হাসানের নেতৃত্বে প্রথমে শহরের মাদ্রাসা মোড়ে সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে। অনুমোদনের কোন কাগজপত্র না থাকায় সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করে দেওয়া হয়।
পরে ভ্রাম্যমান আদালত পদ্মা ক্লিনিক, প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, তামান্না ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মদিনা চক্ষু হাসপাতাল, চক্ষু ক্লিনিক ও ফ্যাকো সেন্টার, হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার সিলগালা করে দেন। এসময় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো: রাসেল সহ অন্যন্যরা অভিযানে অংশ গ্রহন করেন।
জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্র জানায়, নাটোর জেলায় বৈধ এবং অবৈধ দুই শতাধিকের বেশি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ রয়েছে ১৭০টি। প্রথম দিনে মোট ১২টি তালিকা নিয়ে বন্ধ অভিযান চললেও বন্ধ করা হয়েছে সাতটি। বন্ধের তালিকায় রয়েছে বাকি ৫টি হচ্ছে, শেফা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাটোর ডায়াবেটিক, হৃদ ও চক্ষু হাসপাতাল, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, গ্রামীন হাসপাতাল ও জমজম হাসপাতাল।
নাটোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাবুবুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছি। যাদের কোন কাগজপত্র নেই, অথচ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক খুলে ব্যবসা করছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সিলগালা করে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খালিদ হাসান বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশেই অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হচ্ছে। অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার যতদিন না বন্ধ করা সম্ভভ হচ্ছে, ততদিন এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com