গুরুদাসপুর প্রতিনিধি.
কোভিড-১৯ সংক্রমণকালে রোগীদের নিবেদিতভাবে সেবা দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মেসবাউল ইসলাম সেতু। ইতোমধ্যে এলাকায় করোনার ডাক্তার হিসাবে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় ও ইউএইচএফপিও ডা. মুজাহিদুল ইসলামের তত্বাবধানে মহামারী পরিস্থিতি মোকাবেলায় অনন্য ভূমিকা রেখেছেন ডা. সেতু। এ উপজেলারই সন্তান তিনি। গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানের পর থেকেই সেবা সহজীকরণ, সেবার মানোন্নয়ন ও হাসপাতালকে রোগী বান্ধব করার ক্ষেত্রে তারা কর্মস্পৃহা ছিল উল্লেখযোগ্য। কোভিড মহামারিকালে মানুষকে সচেতন করা, মাস্ক বিতরণ, জনসচেতনতামূলক তথ্য প্রচারসহ সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন তিনি। অসহায় মানুষের পাশে থেকে বেঁচে থাকার সাহস জুগিয়েছেন ও ভালোবেসেছেন সবাইকে। এছাড়া আক্রান্ত রোগীদের বাড়িবাড়ি গিয়ে করণীয় পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন এবং কোভিড মোকাবেলায় সর্বত্র ছুটে গিয়েছেন তিনি। তার এ অবদানের জন্য তিনি সর্বমহলে জনপ্রিয় ও প্রশংসিত হয়েছেন।
সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান বলেন, ডা. সেতু জীবনবাজি রেখে করোনার চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। তার অবদানের মূল্যায়ন করতে পারলে সবচেয়ে বেশি খুশি হব আমি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন বলেন, সেতুর সেবায় সবাই মুগ্ধ। তাই আমি তাকে করোনা বিশেষজ্ঞ বলে ডাকি। এরকম মানবিক ডাক্তার খুবই প্রয়োজন। ডা. সেতু বলেন, মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়ে চিকিৎসা পেশা বেছে নিয়েছি। সকলের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতায় সবাইকে নিয়ে সুস্থ থাকতে চাই।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকেই বলেন, মহামারিকালে মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে সেবা দানকারী সেতুর মত ডাক্তার সবখানে দরকার। এরকম মানবীয় ডাক্তারদের বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com