চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
লিকুইফাউড পেট্টোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম এখন লাগামহীন। পাবনার চাটমোহরে একমাসের ব্যবধানে প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতাদের অভিযোগ একমাস আগেও ১২ কেজির একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নেওয়া হয়েছে ৯ শত টাকা। এরপর ৯৫০ টাকা। সেই গ্যাস সিলিন্ডারের দাম এখন নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকা।
চাটমোহর উপজেলার হাট-বাজার, রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। যাদের কোন প্রকার অনুমোদন নেই। যে কোন মূহুর্তে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। এসকল দোকানেই গ্যাস সিলিন্ডার ১১ শত টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।
ডিলারদের কাছ থেকে এসকল খুচরা দোকানীরা একেকটি গ্যাস সিলিন্ডার সর্বোচ্চ ৮৭০ টাকায় কিনছে বলে জানা গেছে। ডিলাররাও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র গ্যাস বিক্রি করছেন। শুধু তাই নয়,তারা সরকারি বিধিবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শত শত গ্যাসের সিন্ডিার গোডাউনে সংরক্ষণ করছে।সম্প্রতি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশন (বিইআরসি) প্রতি কেজি এলপি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করেছে ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা। সেক্ষেত্রে ১২ কেজির একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৮৯০ টাকা ৮৮ পয়সা। অথচ বাজারে নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকা।
এদিকে বাজার থেকে উধাও বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সরবরাহ করা এলপিজি। বিপিসি’র এক সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ৬৭৮ টাকা। ক্রেতাদের অভিযোগ ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো গ্যসের দাম নিচ্ছেন। চাটমোহর পৌর শহরের ছোট শালিখা মহল্লার বাসিন্দা আঃ রহিম জানালেন, ১২ কেজির বসুন্ধরা গ্যাস সিলিন্ডার তিনি ১ হাজার ৭০ টাকায় কিনেছেন। একমাস আগে ছিল ৯২০ টাকা।
ক্রেতাদের অভিযোগ বিপিসি’র ডিলারকেই তারা চেনেন না। এক সিলিন্ডার বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, আমি স্থানীয় ডিলারের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যান্ডের গ্যাস সিলিন্ডার কিনি। বর্তমানে একটি সিলিন্ডারের দাম নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার টাকা। আমি বিক্রি করি ১ হাজার ৫০ টাকা।বিপিসি’র স্থানীয় ডিলার আলহাজ্ব মোঃ আবু বকর সিদ্দিকীর সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও যমুনার ডিলার আঃ মুতালিব জানান, আমরা ৮৭০ টাকায় পাইকারী বিক্রি করছি। খোলাবাজারে ৯শত টাকা বিক্রি হতে পারে। অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা ঠিক না।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com