বিশেষ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ভূইয়াগাঁতী টু তাড়াশ পর্যন্ত সড়ক পাকা করণ কাজ চলছে বেশ কিছু দিন হলো। মাঝে কিছু সময় অনিয়মের অভিযোগে কাজটি বন্ধ করে দিয়েছিলেন দেওভোগ গ্রামের বাসিন্দা ও সলংগা থানা আঃলীগের যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক কে এম আহসান হাবিব আসলাম। এদিকে কাজটি বন্ধ থাকায় জনসাধারণের চলাচলে চরম দূর্ভোগ হয়েছে। কারণ রাস্তা মেরামতের নামে রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় গর্ত হয়ে ছিলো। আর রাস্তা হয়েছিলো উঁচুনিচু। অনিয়ম কি এবার দেখেন,রাস্তায় আসল বালির বদলে দেয়া হয়েছে মাটিবালি মানে বিটাবালি। যার ফলে রাস্তায় মাটি পড়েছে ৭০% আর বালি আর নিম্নমানের খোয়া পড়েছে ৩০% ।
অপরদিকে রাস্তায় দুই পার্শ্বে মাটি দেয়া হচ্ছে নামমাত্র। একটু বেশি বৃষ্টি হলে ধসে যাবে আর সৃষ্টি হবে গর্তের। এদিকে রাস্তায় যে পরিমাণ খোয়া দেয়ার কথা, সেখানে নামমাত্র পাথরের খোয়া দিয়ে বাঁকী খোয়া দেয়া হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া। আবার রাস্তার দুই দিকে এজিন ইট দেয়ার কথা উচুঁ করে সেখানে দেয়া হচ্ছে নিচু করে। আর ইটগুলো হলো নিম্নমানের। সব কিছু মিলে রাস্তায় বালি দিলে রাস্তা এমন হতো না। এবার চলাচলে সিএনজি, বাস সহ বড় ধরনের যানবহন রাস্তায় আটকে পড়ছে। কারণ রাস্তায় দেয়া হয়েছে মাটি বালিতো নেই। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রাস্তার কাজে ভেজাল মালামাল ব্যবহার করছে তা দেখার কেউ নেই। যে কারণে রাস্তার অবস্থা এখুনি এমন নাজুক। অপরদিকে একই ঠিকাদারের চুক্তিভূক্ত তাড়াশ – রানীর হাট রাস্তারও একই দশা। দীর্ঘ কয়েক মাস যাবৎ ওই রাস্তা দুটির কাজ ধীর গতিতে করায় এলাকাবাসীর চলাচলে এক ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com