বিশেষ প্রতিনিধি ঃ গত শনিবার থেকে সারাদেশে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এ বছর গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করছেন। কিন্ত অজ্ঞাত কারণে উপজেলার মাদ্রাসার শিক্ষকরা পরীক্ষায় হল ডিউটি করতে পারছেন না। এ কারণে মাদ্রাসা শিক্ষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা যায়।
শনিবার সকালেই বিভিন্ন স্থাান থেকে পরীক্ষার্থীদের সময়মতোই পরীক্ষা কেন্দ্রে ভীড় করতে দেখা যায়।আবার পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে পৌছে দিতে অনেক অভিভাবকদের দেখা যায়। ওই দিন সকাল ১০টায় জেএসসির প্রথম দিনে বাংলা এবং জেডিসির প্রথম দিনে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষা শুরু হয়। জেএসসি পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১১ নভেম্বর ও জেডিসি পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন এবং ছাত্রী ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন। ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার ২৯২ জন বেশি।চলতি বছর মোট কেন্দ্রের সংখ্যা দুই হাজার ৯৮২টি। মোট ২৯ হাজার ২৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এ বছর তাড়াশ মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৫০৭ জন ছাত্র/ছাত্রী জেডিসি পরীক্ষায় অংম গ্রহন করছেন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১৬৬ ছাত্রী সংখ্যা ২৯৪ জন।
মাদ্রাসার কেন্দ্রের সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা আনিছুর রহমান বলেন, তাড়াশ জেডিসি পরীক্ষা সুন্দর ও নকল মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, গত বছরের মত এ বছরও জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাদ্রাসার শিক্ষকদের কক্ষ পরিদর্শন থেকে বাদ দেওয়া হযেছে। নওগাঁ শরিফিয়া ফাজিল মাদ্রসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আলাউদ্দিন ফিরোজ বলেন, কোন্ কারণে মাদ্রাসার শিক্ষকদের এ রকম শাস্তি দেওয়া হচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। অনেক শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলেন দাখিল পরীক্ষায় যদি মাদ্রাসা শিক্ষকদের হল ডিউটি দিতে না দেয় তা হলে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হব।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com