চলনবিলে সুতিজাল দিয়ে মৎস্য নিধন ব্রিজগুলি ধ্বংসের মুখে

Spread the love

বিশেষ প্রতিনিধি:  ঃ পাবনা নাটোর,সিরাজগঞ্জের ৯ উপেেজলার মধ্যবর্তী চলনবিলে সু্যঁতিজাল দিয়ে মৎস্য সম্পদ নিধন করছে। সবগুলো নদীতে  পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে কারেন্ট,সুঁ্যঁতিজাল দিয়ে মাছ ধরার হিড়িক চলছে। জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া হাটিকুমরুল বনপাড়া মহাসড়কের ৮ ও ৯ নং ব্রিজ চাটমোহরের নিমাইচড়া ব্রিজ থেকে শুরু করে ভাঙ্গুড়ার কলকতি ঘাট পর্যন্ত ছোট বড় প্রায় ৬০টি সু্যঁতিজাল পড়েছে। বাঁশের বেড়া ও ব্রিজের খুঁটির সাথে কাটাতারের বেড়া এবং নেট দিয়ে জাল স্রোতের মধ্যে ফেলায় ব্রিজ গুলি ধবংসের দ্বারপ্রান্তে। যে কোন সময় ব্রিজ ধসে যেতে পারে।  চাটমোহরের কাটানদীতে স্থল গ্রামের ২পার্শে,পাইকপাড়া,মুনিয়াদিঘি কারিগারি স্কুল এন্ড কলেজের পার্শে বামনগ্রাম,নিমাইচড়া,ধর্মগাছা ব্রিজের নিচে ৩টি,মির্জাপুর সাওয়ালদহ নদীতে মাহবোলার জলাতে ভাঙ্গুড়ার শাখানদীগুলোর সব পয়েন্টে স্যুতিজাল পেতেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করেন যে,উম্মুক্ত জলাশয়ে কোন রকম বাঁধ দেওয়া  বা  স্যুতিজালের ব্যবহার করা  যাবে  না। প্রান্তিক অসাধু জেলেরা উম্মুক্ত জলাশায়ে সরকার  ঘোষিত নীতিমালা উপেক্ষা করে বর্ষা মওসুমের শুরু  থেকেই প্রশাসন কে ম্যানেজ করে সরকার নিষিদ্ধ  সুঁতিজাল ও পানি প্রবাহের জায়গা আটকিয়ে মৎস্য নিধন করাতে যেমন মাছের বংশ বৃদ্ধিতে ব্যাহত হচ্ছে তেমনি রবি শস্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। অপরদিকে ধ্বংস করা হচ্ছে মৎস্য সম্পদ।

চলনবিলের চাটমোহরের হান্ডিয়াল এলাকার মোক্তার হোসেন জানান চলনবিলের কাটানদীর সবগুলো পয়েন্টে সুতিজাল পেতে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করেছে। এতে মৎস্য সম্পদ ধবংশের পাশাপাশি রবিসষ্য আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। তাড়াশের মাগুনাবিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামের আঃ রশিদ মেম্বর ,সাবেক ইউপি সদস্য মনের উদ্দিন সহ অনেকেই জানান চলনবিলে যে সময় রবিসষ্য বোপনের পুরা মওসুম সেই সময়ে নদীতে সুতিজাল দিয়ে পানি আটকিয়ে রাখার কারনে আবাদি জমিগুলো পানির মধ্যে তলিয়ে আসে।তারা বলেন রবিসষ্য আবাদ ধবংশের সাথে সাথে ব্রিজের পোলের সাথে কাটাতারের বেড়া দেওয়ায় ব্রিজগুলি যে কোন সময় ধসে যেতে পারে। এলাকাবাসিরা জানান ,প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান দিয়ে বাঁশের বেড়া ও জাল কেটে দেন তারা সেখান থেকে যাওয়ার পরই আবার যথারীতি নদীতে সুতিজাল ফেলে মৎস্য নিধন করছে। তাড়াশ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ওবাইদুল্লাহ বলেন, অভিযান অব্যাহত আছে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD