স্টাফ রিপোর্টার : তাড়াশের অলিগলি পথে এখন অদম্য ছোটা শুরু করেছে ড্রাম ট্রাক। দিনে ১/২টি চললেও রাতের শেষ ভাগে ড্রাম ট্রাক দৌড়াচ্ছে বেশী। কেননা সেটাই মাহেন্দ্রক্ষণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় প্রতি রাতে আযানের পর পরই দুর্দুম ছুটে চলেছে এই ড্রাম ট্রাক,, একের পর এক। সবগুলোতে মাটি বোঝাই। সেদিন গুনে দেখলাম, মোট ৭টা ড্রাম ট্রাক দুস্যের মতো ছুটে চলেছে তাড়াশ পশ্চিম ওয়াবদা বাঁধ হতে বাজারের পথে বিভিন্ন দিকে। এ ট্রাকগুলো মাটি বোঝাই করছে তাড়াশ –কুন্দইল সড়কের আশপাশে থেকে। তারপর এগুলো তাড়াশ সদরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ফেলছে। ফসলী জমি কেটে পুকুর তৈরির মহোৎসব আসন্ন শুষ্ক মওসুমে শুরু হবে, তারই প্রস্তুতি মহড়া শুরু হয়েছে। এটা আরো প্রবল এবং জোড়দার হবে গোটা শুষ্ক তথা শীতের মওসুম জুরে। এভাবে ফসলী জমি কেটে পুকুর তৈরী ও মাটি স্থানান্তরের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি ছাড়াও জনজীবনে নানা বিপর্যয় নেমে আসছে।ক্ষতি হচ্ছে তথা ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তা ও সড়ক। ধুলাবালি ও কাদায় দূষিত হচ্ছে প্রতিবেশ। বৃষ্টি হলে পরিসিথিতির আরো অবনতি ঘটে। এমনকি ড্রাম ট্রাকের বেপরোয়া গতিতে দূঘঁনা ঘটছে প্রায়শ: । আহত নিহত হচ্ছে প্রায়ই কেউ না কেউ। এই নৈরাজ্য থামাবার কেউ নেই বলে মনে হয়। প্রশাসন কালেভদ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে যা করে তাতে দৃশ্যত: কোন স্থায়ী ও যথাযথ প্রতিকার হয় না। কৃষি জমিতে বেআইনী পুকুর খনন নিষিদ্ধ ও ড্রামট্রাকে মাটি বহনে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকরী না করা পর্যন্ত এই পরিবেশ বিধ্বংসী তৎপরতা বন্ধ হবে বলে কেউ বিশ্বাস করে না।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com