গুরুদাসপুর প্রতিনিধি:
নাটোরের গুরুদাসপুরে ডিজেল সংকটে বোরো চাষ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। টাকা দিয়েও মিলছে না ডিজেল। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারনে দেখা দিয়েছে সেচ যন্ত্রের জ্বালানী ডিজেল তেলের সংকট। সংকট অজুহাতে বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকছেন। বেশি দামে তেল কিনতে বাধ্য হলেও পা”েছন চাহিদার তুলনায় কম। এতে সেচ বিপর্যয়, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিসহ কাঙ্খিত ফলন নিয়ে শঙ্কিত কৃষক।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে প্রতি বিঘা ধান উৎপাদনে সেচের জন্য কৃষকদের জমি বিশেষে গড়ে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লিটার ডিজেল তেলের প্রয়োজন হয়। যুদ্ধ পরি¯ি’তির আগ পর্যন্ত সরকারী দামে অর্থাৎ ১শ টাকা লিটার হিসাবে ডিজেল পাওয়া গেলেও বর্তমানে সেই তেল তাদের কিনতে হ”েছ ১৫০ টাকায়।
উপজেলার বামনবাড়িয়া গ্রামের কৃষক মতিউর রহমান বলেন, তিনি চাঁচকৈড় বাজারের তেল কিনতে গিয়ে খালি হাতে ফিরেছেন। বাড়তি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে খুচরা কোন কোন দোকানে পাওয়া যা”েছ। সেটিও চাহিদা অনুসারে পা”িছ না। এমনিতেই পানি উঠছে না, জমিতে সেচ দেব কিভাবে?কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এক বিঘা জমিতে বোরো ধান আবাদে খরচ হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা। খরচের বোঝা বাড়ছেই।
কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর। এ অঞ্চলে বৃধান ২৯, ৫১,২৮ জাতের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। এর বাইরে কৃষকরা জিরা ও উ”চ ফলনশীল হিরা, রড মিনি, বিনা ৭, স্বর্না ও গুটি স্বর্নার আবাদ করছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে.এম রাফিউল ইসলাম বলেন, কৃষকদের অভিযোগ তারা বাড়তি দামে তেল কিনছেন। সংকট হলে ফসল উৎপাদন খরচ বাড়বে। তবে সংকট দূর করতে তদারকি চলছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, জ্বালানি তেলের সংকট থাকবেনা। নির্ধারিত চলনবিল ফিলিং স্টেশন থেকে কৃষকদের তেল কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।#
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com