আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার : সিরাজগঞ্জের চলনবিল এলাকার তাড়াশ – নিমগাছি রোডের পার্শ্ববর্তী জল নিস্কাসন ক্যানেলে লোভী মাছ শিকারীদের বেপরোয়া সোঁতি জাল পাতার ফলে রেনু পোনা সহ সকল জাতের মাছের বংশ উজাড় হবার দশা হয়েছে। এই ক্যানেল দিয়ে উত্তরের শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর, রায়গঞ্জের ধামাইনগর, সোনাখাড়া, তাড়াশের দেশীগ্রাম, মাধাইনগর ইউনিয়নসহ বিস্তীর্ন এলাকার বৃষ্টির জল গড়ায় চলনবিলে। বিশেষ করে ধামাইনগর – দেশীগ্রাম সীমান্তের লেকসম বিল তথা খাড়ীর বিপুল জলরাশি গোতিথা – মৌহার – চন্ডিভোগের এমপি খাল দিয়ে পৌসার ব্রীজ হয়ে ক্যানেলে পড়লে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয়। এই স্রোতের জলে শুভারের আজমের ছেলে হায়দার, পৌসারের আব্দুলের ছেলে মতি সহ লোভী মাছ শিকারীর দল পৌসার ব্রীজের পশ্চিম ও পূর্বপাশে, ধাপের ব্রীজের পশ্চিম ও পূর্বপাশে, ভাদাস ব্রীজের পাশে অবৈধ সোঁতীজাল পেতে সকল প্রকার রেনুসহ মাছের পোনা ধরে মৎস্য সম্পদ ধংসের চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় ধরা পড়ার ভয়ে দিনের বেলা খাঁচার জাল খুলে রাখে। সন্ধ্যার পর খাঁচায় জাল সেট করে। সকালে জাল থেকে মাছ নিয়ে বাজারে যায় বিক্রয় করতে। এদিকে এমনভাবে জাল পাতার ফলে বৃষ্টির জল ঠিকমত নিস্কাসন হতে পারে না, জালের সাথে বাধা পেয়ে । ফলে হয় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। কৃষকের আবাদ হয় না ঠিকমত জমিতে। কেউ কেউ কয়, লোভী মাছ শিকারীদের খুঁটির জোর শক্ত। ওরা উপর লেবেলের সবাইকে ম্যানেজ করেই এহেন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন সবার চোখের সামনে।
|
|
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com